MSDNAA একাউন্ট যেভাবে খুলবেন ও একাউন্ট থেকে সফটওয়্যার Download করবেন

আমরা হয়তো সবাই জানি কুয়েটের সাথে মাইক্রোসফ্টের মধ্যে MSDNAA (MSDN Academic Allience) ও Live@Edu প্রোগ্রামের চুক্তি স্বাক্ষর ২০১০ সালের ৪ এপ্রিল। এরপর থেকে কুয়েটিয়ানরা ৪০০ টিরও বেশি সফটওয়্যার ফ্রি ব্যবহার করতে পারছেন। কিন্তু অনেক নতুন শিক্ষার্থীই জানেন না কিভাবে এই MSDNAA একাউন্ট খুলতে হয় বা সেই একাউন্ট থেকে সফটওয়্যারগুলো নামাতে হয়। আমি এই টিউটিরিয়ালটিতে ধারাবাহিক ভাবে দেখাব কিভাবে MSDNAA একাউন্ট খুলতে হয় ও Windows 8 নামাতে হয়। মূলত সব সফটওয়্যারই একই প্রক্রিয়ায় নামাতে হয়। তাই আপনি Windows 8 নামাতে পারলে বাকি অন্যান্য সফটওয়্যারও খুব সহজে নামাতে পারবেন। কথা না বাড়িয়ে কাজে চলে যাইঃ

১ম ধাপঃ

প্রথমেই আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এই লিংকে।একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন ইমেইল আইডি অবশ্যই live অথবা hotmail এর হতে হবে।

registration form

registration form

 

২য় ধাপঃ

রেজিস্ট্রেশনের ৭-১৪ দিনের মধ্যে আপনার ইমেইল একাউন্টে DreamSpark এর একটি কনফার্মেশন মেইল আসবে। সেখানে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলেই আপনাকে DreamSpark এর স্টোরে নিয়ে যাবে। এখানে ফর্মটি পূরন করলেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত একাউন্টটি পেয়ে যাবেন।

৩য় ধাপঃ

যাদের ইতোমধ্যে MSDNAA একাউন্ট আছে তারা এই লিংকে গেলেই Store টি পাবেন।

স্টোরে গেলেই আপনি সফটওয়্যারগুলোর দেখা পাবেন। আমি এখানে Windows 8 নামানোর প্রক্রিয়াটি দেখাচ্ছি।

৪র্থ ধাপঃ

এই ধাপটিতে এসে আপনি আপনার সফটওয়্যারটির প্রোডাক্ট কি-টি সেভ করে নিন। সফটওয়্যার ইন্সটাল করার সময় এই কি-টির প্রয়োজন হবে।

৫ম ধাপঃ

ব্যাস! কাজ প্রায় শেষ। এবার ডাউনলোডের পালা। তবে কারো কাছে যদি সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা থাকে আপনি চাইলে সেটিও ব্যবহার করতে পারবেন।  সেক্ষেত্রে নতুন ব্যবহারকারীরা ১ম থেকে ৪র্থ ধাপ পর্যন্ত করে আসবেন আর যাদের আগে থেকেই একাউন্ট আছে তারা ৩য় ও ৪র্থ করে ধাপে এসে প্রোডাক্ট কি-টি সেভ করে রাখবেন।

সবাইকে অনেক ধৈর্য নিয়ে লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। কুয়েট MSP দের সকল আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন MSDN Academic Alliance@KUET

Advertisements

উইন্ডোজ ৮ রিভিউ

উইন্ডোজ ৮, মাইক্রোসফটের নতুন অপারেটিং সিস্টেম। এ বছরেরই ২৬ অক্টোবর এটি বাজারে আসবে। অবশ্য এমএস ডিএনএএ এর সুবাদে আমি এতোমধ্যে উইন ৮(উইন্ডোজ ৮) ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছি। মজার বিষয় হচ্ছে এবার এটি এর সাথে আছে ৩০০ টির বেশি নতুন ফিচার। আমার এই অল্প দিনের ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আর একটু নেটে ঘাটাঘাটি করে নতুন যা জানলাম তা সবার শেয়ার করলাম।

  • এআরএম  ভিত্তিক ট্যাবলেটঃ  উইন ৮ ই হচ্ছে প্রথম এআরএম প্ল্যাটফর্ম যেটি একই সাথে ট্যাবলেট ও ৩২ বিট পিসিতে চালানো যায়। এর আছে ইন্টেল ও এএমডির এআরএম  ভিত্তিক প্রসেসর। এর নতুন মুডটিকে বলা হয় “Always on ,always connected”(বাংলা আর করলাম না) যা স্মার্টফোনগুলোর মত সহজেই স্ট্যান্ডবাই মুডে থাকতে পারে।

  • মেট্রো ইউজার ইন্টারফেজঃ উইন ৮ এর অন্যতম মজার বিষয় এটি। ডেভেলপার বা ব্যবহারকারী সবার কাছে এটি একটি নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে। এর এনিমেশন সম্বলিত ইউজার ইন্টারফেজ সবার মন কারার সামর্থ্য রাখে।

  • লক স্ক্রিনঃ পুরতন লন স্ক্রিনকে ঝেড়ে ফেলে উইন ৮ এ সংযোজিত হয়েছে নতুন মাত্রার লক স্ক্রিন।  এতে একই সাথে পিন ও ছবি ভিত্তিক সংকেত ব্যবহার করা যায়। এখন লক স্ক্রিনেই আপনি আপনার ইমেল ও সামাজিক নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর নোটিফিকেশন  পাবেন।

  • কন্ত্রোল প্যানেলঃ অন্য কিছু সাথে  কন্ত্রোল প্যানেলও নতুন কিছু ফিচার যোগ হয়েছে। আপনি এখন personalize, users, wireless, notifications, general, privacy, search, share সহ অনেক অপশনই পাবেন এখানে।
  • চার্মসঃ এটি হল উইন ৮ এর একটি অসাধারন কনফিগারেশন যা দিয়ে আপনি খুব দ্রুত ও সহজে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের সেটিং কনফিগার করতে পারবেন। পিসি ব্যবহারকারীরা তাদের মাউস বাম কোনে ও ট্যাবলেট ব্যবহারকারীরা  ডান কোনে নিলে এই চার্মসের দেখা পাবেন।

  • দুই স্পর্শি কীবোর্ডঃ  উইন ৮ সংযোজিত হয়েছে নতুন ধরনের ইনপুট সিস্টেম। এতে রয়েছে দুই ধরনের সফট কীবোর্ড। একটি হচ্ছে আগে মতই এনহ্যান্সার কীবোর্ড ও অন্যটি হল থাম্ব কীবোর্ড। এর সাথে যুক্ত হয়েছে নতুন ল্যাংগুয়েজ সেটিংস, সাজেশন ও স্পেল চেকার।  
  • মাল্টিটাস্কিংঃ  উইন ৮ আরেকটি বড় ফিচার। এখন আপনি একই সাথে দুটি এপ্লিকেশন স্ক্রিনের দুপাশে সহজে রেখে কাজ করতে পারবেন। একই সাথে দুটি মনিটর ব্যবহারকারীরা এখন সহজে একই ওয়ালপেপার ব্যবহার সহ একটিতে স্ট্রাট মেনু অন্যটিতে ডেস্কটপ ব্যবহার করতে পারবেন।

  • টাস্ক ম্যানেজারঃ উইন ৮ এ আমার সবথেকে পছন্দের জিনিস। এর নতুন ইন্টারফেজ  ও ফিচার আপনাকে অবশ্যই মুগ্ধ করবে। স্ট্রাটআপের এপ্লিকেশন গুলো এখন আপনি টাস্ক ম্যানেজার থেকেই কন্ট্রোল করতে পারবেন।

  • কপি সিস্টেমঃ  উইন ৮ এখন আপনি আগের থেকে অনেক দ্রুত ফাইল কপি করতে পারবেন। সহজ রিসিউম ও ক্যান্সেল সুবিধাসহ আপনি এখন এক সাথে অনেকগুলো ফাইল কপি করতে পারবেন।

এছারাও নতুন ইউএসবি ৩ ও ল্যাংগুয়েজ সাপোর্ট পাবেন আপনি এর সাথে। সিকিউর বুটসহ ক্লাউড থেকে এখন আপনি সহজেই ডাটা সিঙ্ক করতে পারবেন। আর এপ্লিকেশন নামানোর জন্য স্টোরতো আছেই।

আগেই বলেছি উইন ৮ আছে প্রায় ৩০০ টির বেশি ফিচার যার সব গুলো আমার একার পক্ষে তুলে ধরা সম্ভব না তাই আমার কাছে যে গুলো বেশি ভালো লেগেছে আমি সেগুলোই তুলে ধরেছি। সব কিছু বাংলা করতে না পারায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

সবাই ভালো থাকবেন।

Microsoft Surface’s Past & Present

Microsoft Surface, a recent product of Microsoft which has changed thought of typing and clicking. It responds like real world objects. Its 30 inch table like display can be operated by the motion of hand or any other physical objects. It combines both software and hardware technology that allows a user or multiple user to manipulate its highly digitalize features and contents to each other.

Origin :

Its code name is Milan and  it was announced on May 29, 2007 at D5 conference.

Year Description
2001 Steven Bathiche of Microsoft Hardware and Andy Wilson of Microsoft Research first thought about initial concept of Surface. They want to mix physical and virtual worlds. In October of the same year, DJ Kurlander, Joel Dehlin, Bathiche and Wilson formed a virtual team to bring the idea to the next stage of development.
2002 Actually in this year no significant steps was taken to develop it.
2003 In this year the evolution of Microsoft Surface was begun. At  the beginning of this year DJ Kurlander, Joel Dehlin presented the idea to Bill Gates. In that month the team expended a prototype(nickname T1) with a hole cut in the top and a sheet of architect vellum used as a diffuser based on IKEA table. They started to building the application(pinball, photo browser, puzzle etc ) and found the value of the computer beyond simply gaming and begun to favor those application that take the advantages of recognizing the physical objects to  place on a table.
2004 In this year Microsoft built more than 85 early prototypes for Surface’s software developer, hardware developer and user researchers. They also create theSurface computing group in this year.
2005 The software development platform and form ofSurface was established in the middle of this year. Number of different experimental prototypes(like tub model) was encased in rounded plastic shell, a desk height model with a square top and cloth covered sides and even a bar-height model. The final hardware design was also completed in this year.
2006 Actually in this year no significant steps was taken to develop it.
2007 Surface was unveiled its current form, a 30 inch table like form by  Steve Ballmer on 30th May, at The Wall Street Journal. The Surface team transitioned from prototyping ideas to building and preparing to sell it.Harrah’s Entertainment, Starwood Hotels & Resorts Worldwide, T-Mobile and a distributor, International Game Technology responds with it.
2008 Surface was became available for commercial sale in this year. AT&T became the first retail location to launch Surface on  17th April. Harrah’s Entertainmentlaunched Microsoft Surface at Rio iBar and Disneyland launched it in Tomorrowland, innoventions  Dream Home in June. On 13th August , Sheraton Hotels introduced Surface in their hotel lobbies at 5 locations.MSNBC began using the Surface to work with election maps for the 2008 US Presidential Election on air on 8th September. MSNBC’s political director, Chuck Todd, was placed at the helm.
Today As form factor continues to evolve, touch computing will in a number of  environments, from schools to home and from wall to countertops to tv screens.

Microsoft Surface Specifications :

o   Dimensions : Surface is a 30-inch (76 cm) display in a table-like form factor, 22 inches (56 cm) high, 21 inches (106 cm) deep, and 84 inches (214 cm) wide.

o   Body and Build : The Surface tabletop is acrylic, and its interior frame is powder-coated steel.

o   Installed Memory: 2 GB(DDR2)

o   Display Type: Flat panel display

o   Network Support: Ethernet, Fast Ethernet, Bluetooth 2.0, IEEE 802.11b, IEEE 802.11g

o   Operating System: Microsoft Windows Vista

o   Input Devices: Touch-screen

o   Hard Drive: 250GB SATA.

Maximum  Setup  :

  • Intel Core Quad Xeon “Woodcrest” @ 2.66 GHz with a custom motherboard form factor about the size of two ATX motherboards.
  • 4GB DDR2-1066 RAM
  • 1TB 7200RPM Hard Drive.

Surface computing features four key attributes :

Direct interaction :

Users can actually “grab” digital information with their hands, interacting with content by touch and gesture, without the use of a mouse or keyboard.

Multi-touch contact :

Surface computing recognizes many points of contact simultaneously, not just from one finger as with a typical touch screen, but up to dozens and dozens of items at once.

Multi-user experience:

The horizontal form factor makes it easy for several people to gather around Surface computers together, providing a collaborative, face-to-face computing experience.

Object recognition:

Users can place physical objects on the Surface to trigger different types of digital responses, including the transfer of digital content.

How does Microsoft Surface work?

At a high level, Surface uses cameras to sense objects, hand gestures and touch. This user input is then processed and the result is displayed on the surface using rear projection.

♦ Screen: A diffuser turns the Surface’s acrylic tabletop into a large horizontal “multitouch” screen, capable of processing multiple inputs from multiple users. The Surface can also recognize objects by their shapes or by reading coded “domino” tags.

♦ Infrared: Surface’s “machine vision” operates in the near-infrared spectrum, using an 850-nanometer-wavelength LED light source aimed at the screen. When objects touch the tabletop, the light reflects back and is picked up by multiple infrared cameras with a net resolution of 1280 x 960.

♦ CPU: Surface uses many of the same components found in everyday desktop computers — a Core 2 Duo processor, 2GB of RAM and a 256MB graphics card. Wireless communication with devices on the Surface is handled using WiFiand Bluetooth antennas (future versions may incorporate RFID or Near Field Communications). The underlying operating system is a modified version of Microsoft Vista.

♦ Projector: Microsoft’s Surface uses the same DLP light engine found in many rear-projection HDTVs. The footprint of the visible light screen, at 1024 x 768 pixels, is actually smaller than the invisible overlapping infrared projection to allow for better recognition at the edges of the screen.

Thanks a lot to see my blog.